কর্মক্ষেত্রে বেশি মানসিক চাপে থাকেন ইউরোপের যে ১০ দেশের কর্মীরা
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের দিক থেকে ইউরোপের কয়েকটি দেশের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছেন। কর্মীদের দৈনন্দিন মানসিক চাপের হার বিবেচনায় করা তালিকায় শীর্ষে রয়েছে গ্রিস। দেশটির ৬১ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য মাত্রার মানসিক চাপ অনুভব করেন। তালিকায় এরপর রয়েছে মাল্টা, সাইপ্রাস ও ইতালি।
সবচেয়ে বেশি চাপ যে ১০ দেশে
১. গ্রিস: ৬১ শতাংশ
দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, কঠোর কর্মপরিবেশ এবং কিছু খাতে ছয় দিনের কর্মসপ্তাহের কারণে গ্রিসের কর্মীদের ওপর চাপ বেশি। দেশটির ৬১ শতাংশ কর্মী প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপ অনুভব করেন।
২. মাল্টা: ৫৭ শতাংশ
ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশটিতে গেমিং ও আর্থিক খাতের দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে কর্মীদের ওপর কাজের চাপও বেড়েছে। ৫৭ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য চাপ অনুভব করেন।
৩. সাইপ্রাস: ৫৬ শতাংশ
দেশটির অনেক কর্মী সপ্তাহে ছয় বা সাত দিন কাজ করেন। দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে বিশ্রামের সময় কমে যাওয়ায় ৫৬ শতাংশ কর্মী মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন।
৪. ইতালি: ৫১ শতাংশ
অর্থনৈতিক কাঠামোগত সমস্যা এবং কর্মঘণ্টার চেয়ে কর্মস্থলে উপস্থিতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সংস্কৃতির কারণে ইতালির ৫১ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য চাপ অনুভব করেন।
৫. পর্তুগাল: ৪৭ শতাংশ
তুলনামূলক কম বেতন ও দীর্ঘ কর্মঘণ্টা দেশটির কর্মীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ৪৭ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপ অনুভব করেন।
৬. যুক্তরাজ্য: ৪৬ শতাংশ
বাড়ির উচ্চ খরচ, প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজার এবং কাজের অতিরিক্ত চাপের কারণে যুক্তরাজ্যের ৪৬ শতাংশ কর্মী মানসিক চাপ অনুভব করেন।
৭. লুক্সেমবার্গ: ৪৩ শতাংশ
বড় ব্যাংকিং খাত, উচ্চ কর্মদক্ষতার প্রত্যাশা এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রতিদিন অন্য দেশ থেকে যাতায়াত দেশটির কর্মীদের ওপর চাপ তৈরি করছে। ৪৩ শতাংশ কর্মী চাপ অনুভব করেন।
৮. বেলজিয়াম: ৪৩ শতাংশ
জটিল রাজনৈতিক ও ভাষাগত পরিবেশ এবং বিভিন্ন সরকারি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজের চাপের কারণে বেলজিয়ামের ৪৩ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপ অনুভব করেন।
৯. নরওয়ে: ৪৩ শতাংশ
তেল ও প্রযুক্তি খাতে উচ্চ কর্মদক্ষতার প্রত্যাশা এবং কাজের ক্ষেত্রে পারফরম্যান্সের চাপের কারণে নরওয়ের ৪৩ শতাংশ কর্মী উল্লেখযোগ্য মানসিক চাপ অনুভব করেন।
১০. আয়ারল্যান্ড: ৪২ শতাংশ
বিশেষ করে ডাবলিনের বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চ উৎপাদনশীলতাকেন্দ্রিক কর্মসংস্কৃতির কারণে দেশটির ৪২ শতাংশ কর্মী কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য চাপ অনুভব করেন।


