Advertisement
  • হোম
  • বাণিজ্য
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি নতুন ভবন নির্মাণ করতে পার...

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি নতুন ভবন নির্মাণ করতে পারবে, অন্য মন্ত্রণালয়ে বন্ধ

প্রথম আলো

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি অর্থবছরে সরকারি ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে নতুন ভবন নির্মাণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়কে ছাড় দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রাথমিক প্রাক্কলন পাওয়ার পর দ্রুত অর্থছাড়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয় আগের পরিপত্রের দুটি শর্ত শিথিল করে সংশোধিত পরিপত্র জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়–সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ছাড়া নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন নির্মাণ বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতের প্রয়োজনীয় ভবন নির্মাণে এখন আর আগের নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তবে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে।

সরকারি ব্যয় কমাতে গত ৮ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারি অর্থে বিদেশে সব ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্য যেকোনো ভবন–স্থাপনা–নির্মাণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

চলমান নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে। কোনো ভবন নির্মাণের কাজ ন্যূনতম ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকলে বাকি কাজ শেষ করার জন্য অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে অর্থায়ন করা যাবে। ব্যয় সংকোচনের আগের পরিপত্রে ভূমি অধিগ্রহণ খাতেও বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। নতুন পরিপত্রে এ ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো সরকারি সংস্থা ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেওয়ার সময় ডিসির চাহিদার ভিত্তিতে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ রয়েছে, এ মর্মে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রত্যয়ন দিতে হবে। এরপর ডিসির কাছ থেকে প্রাথমিক প্রাক্কলন পাওয়ার পর দ্রুত অর্থ ছাড় করা হবে। ফলে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে আগের স্থগিতাবস্থা থাকছে না। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে অর্থছাড়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

Lading . . .