
জমিজমা গ্রাস করতেই ফাঁসানো হয় মামলায়
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একটি হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি না হয়েও বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন সাভারের এক নিরীহ ব্যবসায়ী। আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে মামলায় আসামি করা হলেও অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে জমি নিয়ে নিজের ভাই ও ভাতিজাদের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি। তারাই পুলিশকে প্রভাবিত করে আশুলিয়ার দোশাইদ স্কুল ও কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি আমির হোসেন সরকারকে (৫৪) হত্যা মামলার আসামি করে বন্দি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আমির হোসেন আশুলিয়া সরকার মার্কেট এলাকার মৃত আমিন উদ্দিন সরকারের ছেলে। কোনো মামলায় যাতে জামিন হতে না পারে, সেজন্য একাধিক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। কথা হয় আমির হোসেনের মেয়ের জামাই মামুন পালোয়ানের সঙ্গে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, আমির হোসেনের পৈতৃক ভিটার ২০ শতাংশ জমি লিখে নিতে চায় আমার চাচাশশুর এমারত হোসেন। এছাড়াও আশুলিয়ায় সম্প্রতি ক্রয় করা ৭ বিঘা জমিও ফেরত নিতে চান এমারত। আমার শ্বশুর ওই জমি কিনে নেওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন। এরই জেরে আগে থেকেই আমিরের বিরুদ্ধে একটি দুষ্টচক্র গড়ে তোলা হয় সব সম্পত্তি দখলে নিতে। আমিরের এসব সম্পত্তির মূল্য ৬ কোটি টাকার ওপরে। ওই চক্রটিই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের হত্যা মামলাকে কাজে লাগাচ্ছে।১৪ আগস্ট বিকালে আশুলিয়ার আড়াগাঁও দোসাইদ এলাকা থেকে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে আমিরকে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারের রংমিস্ত্রি মুজাহিদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ৫ দিনের রিমান্ডও চাওয়া হয়। এদিকে ডিবির দেখানো মামলায় কারাগারে থাকতেই ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ১৭ আগস্ট আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক মজিবুর রহমান ভূইয়া আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন আমিরের বিরুদ্ধে।৩০ আগস্ট, ২০২৫