Advertisement

আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো

প্রথম আলো

প্রকাশ: ২ নভেম্বর, ২০২৬

সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আয়োজন নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামালছবি: প্রথম আলো
সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আয়োজন নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামালছবি: প্রথম আলো

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে ইউএস ট্রেড শো। এ প্রদর্শনীর লক্ষ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করা এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো। আড়াই বছর পর দেশে আবার হতে যাচ্ছে এই প্রদর্শনী।

৫ নভেম্বর রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শুরু হবে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।

আজ সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম)। এবারের প্রদর্শনী হবে ৩০তম ইউএস ট্রেড শো। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে হবে এই আয়োজন।

৫ থেকে ৭ নভেম্বর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা খোলা থাকবে। আয়োজকেরা আশা করছেন, তিন দিনে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার দর্শনার্থী মেলায় আসবেন। বিনা মূল্যে শুধু অনলাইন নিবন্ধন করেই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যামচেম এ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরে। উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট, অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ রেজা উর রহমান মাহমুদ প্রমুখ।

অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘আগামী ৫ বছরে ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্যের কথা আগেই জানিয়েছি। সেই লক্ষ্য অর্জনে এই ট্রেড শো ভূমিকা পালন করবে। তবে সে জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে যদি নতুন ১০-১২টি মার্কিন কোম্পানিকে এ দেশে আনা যায়, সেটাই হবে আমাদের অর্জন।’

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সাতটি স্টার্টআপসহ মোট ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। তাদের জন্য থাকবে ৬৩টি বুথ। বিভিন্ন দেশের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন। তাঁরা বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। খতিয়ে দেখবেন বিনিয়োগের সম্ভাবনা।

এ ছাড়া নকশিকাঁথা, জামদানিসহ দেশীয় জিআই পণ্য প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়।

Lading . . .